শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৪:৩৯
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

ববিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের অভিযোগে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জামাল উদ্দিনকে নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা।

রোববার (৯ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, গত শনিবার দৈনিক জনকণ্ঠে “জামাল স্যারের ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ শিক্ষকের হাতে জিম্মি ববির ছাত্র-ভবিষ্যৎ!” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী ও কতিপয় শিক্ষকের প্ররোচনায় ওই সংবাদটি করা হয়েছে এবং সেখানে বর্ণিত তথ্যসমূহ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বিকৃত ও বিভ্রান্তিকর।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলাই আন্দোলনের সময় ড. জামাল উদ্দিন শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। আবার সেশনজট কমানোর দোহাই দিয়ে তিনি এক সেমিস্টারে ১৫টি কোর্স ক্লাস নেন এবং অভ্যন্তরীণ নম্বর (ইন্টার্নাল মার্কস) বণ্টনে পক্ষপাতিত্ব করেন। যারা তার ‘কথা মানেন’ তাদের বেশি নম্বর দেওয়া হয় এমন অভিযোগও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া একাডেমিক সময়েও ব্যক্তিগত কাজে শিক্ষার্থী ব্যবহারের কথাও দাবি করা হয়।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থী মেহেতাব হোসেন বলেন, “স্যার বেশি কোর্স নেন শিক্ষক সংকটের কারণে। স্যার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন আমাদের ক্লাস নেওয়ার। সংবাদে যেসব অপবাদ দেওয়া হয়েছে, আমরা তা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। কয়েকজন শিক্ষার্থী বিভাগের ভেতর বিভেদ তৈরির চেষ্টা করছে। অপপ্রচারে বিভাগের সম্মানহানি হয়েছে। জনকণ্ঠকে এই মিথ্যা সংবাদ প্রত্যাহার করতে হবে।”

আরেক শিক্ষার্থী বলেন,আমাদের বিভাগে সিনিয়র জুনিয়রদের নিয়ে বহুদিন ধরে অপপ্রচার ও বাজে রাজনীতি চলছে। আগেও আমাদের কয়েক শিক্ষককে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে টার্গেট করা হয়েছে। এবার চেয়ারম্যানসহ সিনিয়র জুনিয়রদের বিরুদ্ধে অসত্য তথ্য ছড়ানো হয়েছে, যার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।